নুপুর কাব্য!

প্রারম্ভিক কথা

ছোট্ট কিশোরী নুপুর। ১৩ পেরুতেই নাম লিখান চলচ্চিত্রে। নাম পেলেন ‘শাবনূর’— অর্থ ‘রাতের আলো’। হ্যাঁ, রাতে যেমন চাঁদের আলো অন্ধকারকে দূরীভূত করে তেমনি শাবনূরের প্রতিভার বিচ্ছুরণে আলোকিত হয়েছে চলচ্চিত্রের আকাশ।

বাংলা চলচ্চিত্রে যদি শীর্ষ দুই নারী তারকাকে তুলে আনা হয় তবেই শাবনূরের নামটা চলে আসবে অনায়াসেই। কারণ নব্বই পরবর্তী সময় থেকে আজ পর্যন্ত এতোটা দাপুটে নায়িকা দ্বিতীয়টি নেই।

এই কথাগুলো এমনিতেই না, বলা হয় তার কর্মগুণে। একজন অভিনেত্রী কীভাবে এত মেধাবী হন, ভাবতেই অবাক লাগে। মেধা এবং গ্লামারের অপূর্ব সমন্বয় ঘটিয়েছিলেন এই কালজয়ী নায়িকা। 

প্রকৃত অভিনেতার প্রতিটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ যে অভিনয় করতে পারে তা শুধু শাবনূরের অভিনয় দেখলেই বোঝা যায়। যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতেন তখন তার অভিনয় শৈলী সাধারণ একটা চরিত্রকে অসাধারণ করে তুলতো। অভিনয়শৈলী, এক্সপ্রেশান, নাচের পারঙ্গমতা সবকিছুই মিলিয়ে একটি ফুল প্যাকেজ ছিলেন। 

অভিনয় শৈলী প্রকাশের সবথেকে শক্তিশালী পার্ট নাকি বলা হয় চোখকে।

আর এমনই একজোড়া চোখ ছিলো তার, যাকে মহাকাব্যিক কিছু বললেও ভুল হবে না। যার মায়ার জালে শাবনূর বন্দী করে রেখেছিলেন চলচ্চিত্রের লক্ষ-কোটি দর্শককে।

৩৬ কলা না থাকলে নাকি অভিনয় পূর্ণতা পায়না। শাবনূরের অভিনয়ে সবকটি কলাই ছিলো সমানভাবে। যা তাকে দিয়েছে অভিনেত্রী হিসেবে অমরত্ব, করেছে তারকাদের তারকা।

অধ্যায়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখে নিই এ মেধাবী ও ভার্সেটাইল এ অভিনেত্রীর অভিনয়জীবন। 

 প্রেমের দেবী

শাবনূরকে যদি ‘প্রেমের দেবী’ বলা হয় তবে একটুও ভুল হবে না। কারণ প্রেমনির্ভর চলচ্চিত্রের প্রেয়সী চরিত্রে যে মায়াবতী চেহারা থাকতে হয় তার সম্পূর্ণ উপাদানই ছিলো তার চেহারায়—ছিলো একজোড়া আকর্ষণীয় চোখ, আকর্ষণীয় মুখাবয়ব, ছিলো গোলাপের পাঁপড়ির মতো একজোড় ঠোঁট। সাথে ছিলো অসাধারণ অভিনয় প্রতিভা, ইমোশনকে জীবন্ত করে পর্দায় তুলে আনার দক্ষতা।

তার সেরা কিছু প্রেমনির্ভর চলচ্চিত্র:

১. তোমাকে চাই

২. প্রেমের তাজমহল

৩. বুকের ভেতর আগুন

৪. মন মানেনা

৫. ভালোবাসি তোমাকে

৬. বিয়ের ফুল

৭. ভালোবাসি তোমাকে

৮. নারীর মন

৯. যতো প্রেম ততো জ্বালা

১১. আমার স্বপ্ন তুমি

১২. তুমি আমার

১৩. শেষ ঠিকানা

১৪. মধুর মিলন

১৫. ফুল নেবোনা অশ্রু নেবো

১৬. নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি

১৬. এই মন চায় যে

ট্ট্যাজিক চলচ্চিত্রে শাবনূর

শাবনূর শুধু গ্লামারসমৃদ্ধ প্রেমের ছবি করেননি। অভিনয় করেছেন এমন কিছু চলচ্চিত্রে যার কারণে দর্শকরা তাকে যুগ থেকে যুগান্তরে মনের মণিকোঠায় সযত্নে রাখবে। যেগুলো দেখে তাদের হৃদয় তোলপাড় হতে বাধ্য। প্রতিটিই বিয়োগান্তক। তেমনিই কয়েকটি চলচ্চিত্রের নামঃ

১. আনন্দ অশ্রু

২. প্রেম পিয়াসী

৩. কে অপরাধী

৪. ভালোবাসা কারে কয়

৫. মোঘলে আজম

৬. শিরি ফরহাদ

৭. বিনি সুতার মালা

৮. প্রাণের মানুষ

সাহিত্যনির্ভর চলচ্চিত্রে সেরা

শাবনূর ছিলেন প্রযোজক-পরিচালকদের আস্থার প্রতীক, ফুল প্যাকেজ। তাইতো সে রুচিশীল বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রের পাশাপাশি অভিনয় করে গেছেন কালোত্তীর্ণ কিছু সাহিত্যনির্ভর চলচ্চিত্রে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ

১. নিরন্তরঃ নিশিকন্যা চরিত্রে,  হুমায়ূন আহমেদের ‘জনম জনম’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত

২. বাঙলাঃ বোবাকালা চরিত্রে, আহমেদ সফার ‘ওঙ্কার’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত।

৩. কাল সকালেঃ প্রতিবন্ধী চরিত্রে, আমজাদ হোসেনের ছোটগল্প ‘কাল সকালে’ অবলম্বনে নির্মিত।

৪. চার সতীনের ঘরঃ আলমগীরের চতুর্থ স্ত্রী চরিত্রে, সেলিনা হোসেনের ‘ঘাম ও শ্রমের গল্প’ অবলম্বনে নির্মিত।

৫. সুন্দরী বধূঃ প্রতিবাদী নারী, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বৈকুণ্ঠের উইল’ অবলম্বনে নির্মিত।

এছাড়া রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্প ‘সুভা’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে চুক্তিবদ্ধ হয়েও করতে পারেনি সিডিউল জটিলতা এবং ছোট পর্দায় চলচ্চিত্র প্রিমিয়ারের বিরোধী থাকার কারণে।

রিমেক চলচ্চিত্রে দাপট

পুরনো দিনের কালজয়ী চলচ্চিত্রের রিমেকে দাপট ছিলো একমাত্র শাবনূরের। কারণ নির্মাতারা পুরনো দিনের কালজয়ী নায়িকাদের অভিনয়কে ধারণ করবার মতো দক্ষতা শুধু তার অভিনয়ে খুঁজে পেয়েছিলেন। তাইতো কবরী, ববিতা, রোজিনা, সুচরিতার মতো নায়িকাদের ছবির রিমেকে তাকে দেখে গেছে। এমনই কিছু চলচ্চিত্রঃ

১. রঙিন সুজন সখী

২. রঙিন নয়ন মনি

৩. রঙিন উজানভাটি

৪. রঙিন বিনি সুতার মালা

৫. রঙিন সমাধি

৬. রঙিন রসের বাইদানী

৭. রঙিন ঘর জামাই

প্রতিবাদী নারী শাবনূর

মাল্টি-ডাইমেনশনাল শাবনূর প্রেম, গ্লামার, রিমেক, সাহিত্যনির্ভর চলচ্চিত্রের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন প্রতিবাদী নারী চরিত্রে। নব্বই পরবর্তী সময়ে একমাত্র সে-ই নারীকেন্দ্রিক চলচ্চিত্রে তার দাপট দেখিয়েছেন। ছড়িয়েছেন তার ভার্সেটাইল অভিনয় দক্ষতার ঝলক! প্রতিবাদী নারী চরিত্রে কিছু চলচ্চিত্রঃ

১. বউ শাশুড়ীর যুদ্ধ

২. ফুলের মতো বউ

৩. সুন্দরী বধূ

৪. মোল্লাবাড়ির বউ

৫. ঘরের লক্ষী

৬. আমার প্রাণের স্বামী

৭. এক টাকার বউ

ফোক ফ্যান্টাসিতেও সমুজ্জ্বল

শাবনূর তার অভিনয় আলো ছড়িয়েছেন ফোক-ফ্যান্টাসী নির্ভর চলচ্চিত্রেও। তেমনই কিছু চলচ্চিত্রঃ

১. নসিমন

২. বউ বন্ধক

৩. জমেলা সুন্দরী

৪. দুঃখিনী জোহরা

 

‘দুই নয়নের আলো’র সেজুঁতি

স্পেশাল চলচ্চিত্র

*দুই নয়নের আলোঃ বাণিজ্যিক কিন্তু মাস্টারপিস। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে একমাত্র ‘সেরা অভিনেত্রী’র পুরস্কার লাভ।

*এবাদতঃ ধর্মভীরু নারী।

শাবনূরের সেরা কয়েকটি চরিত্র

১. দোলা (আনন্দ অশ্রু)

২. সখী (রঙীন সুজন সখী)

৩. মনি (রঙিন নয়ন মনি)

৪. সীমা (কে অপরাধী)

৫. স্মৃতি (প্রাণের মানুষ)

৬. পারুল (মোল্লা বাড়ির বউ)

৭. তিথি (নিরন্তর)

৮. সেজুঁতি (দুই নয়নের আলো)

৯. মালতী (কাল সকালে)

১০. সতোরী (বাঙলা)

১১. ফুলবানু (চার সতীনের ঘর)

১২. জুঁই (ভালোবাসা কারে কয়)

১৩. আনারকলি (মোঘলে আজম)

১৪. শিরি (শিরি ফরহাদ)

 

পুরস্কার ও সম্মাননা

*জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-১ বার (সেরা অভিনেত্রী, দুই নয়নের আলো)

*মেরিল প্রথম আলো তারকা জরিপ পুরস্কার– ১০বার

*বাচসাস পুরস্কার-৭ বার

*গোয়া আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার-(সেরা অভিনেত্রী, তোমাকে চাই)

এছাড়া চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক পুরস্কার, বিনোদন বিচিত্রা পুরস্কার, ট্রাব অ্যাওয়ার্ড, সিজেএফবি পুরস্কার, সাঁকো টেলিফিল্ম অ্যাওয়ার্ড, ঢালিউড অ্যাওয়ার্ড এবং লাক্স চ্যানেল আই পারফর্মেন্স অ্যাওয়ার্ডসহ অসংখ্য পুরস্কার।

 

এতেহশামের সাথে শাবনূর

শাবনূরের পরিচালকেরা

ক্যাপ্টেন এহতেশাম, তোজাম্মেল হক বকুল, আমজাদ হোসেন, শিবলী সাদিক, ফখরুল হাসান বৈরাগী, দিলীপ সোম, আজিজুর রহমান, রায়হান মুজিব, সৈয়দ হারুন, দিলীপ বিশ্বাস, মতিন রহমান, তমিজউদ্দীন রিজভী, জহিরুল হক, হাফিজউদ্দীন, শাহ আলম কিরন, শিল্পী চক্রবর্তী, রেজা হাসমত, মোতালেব হোসেন, গাজী মাজহারুল আনোয়ার, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, শহিদুল ইসলাম খোকন, আবু সাইয়ীদ, এম এ খালেক, উত্তম আকাশ, বাদল খন্দকার, ছটকু আহমেদ, এম এম সরকার, ওয়াকিল আহমেদ, আজাদী হাসানাত ফিরোজ, এফ আই মানিক, পি এ কাজল, মনতাজুর রহমান আকবর, সোহানুর রহমান সোহান, জাকির হোসেন রাজু, শাহ মোহাম্মদ সংগ্রাম, মোহাম্মদ হান্নান, সাজেদুর রহমান, সুজাউর রহমান, হাসিবুল ইসলাম মিজান, শাহাদাৎ হোসেন লিটন, একে সোহে, মনোয়ার খোকন, মালেক বিশ্বাস, ইস্পাহানি আরিফ জাহান, মালেক বিশ্বাস, সাইমন তারিক, শাহীন সুমন, হেলাল খান, গাজী মাহবুব, গাজী জাহাঙ্গীর, এটিএম শামসুজ্জামান, মোস্তাফিজুর রহমান মানিক, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, নাসির খান, মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী, একে সোহেল, নজরুল ইসলাম খান, সালাহ উদ্দীন লাভলু।

সালমান-শাবনূর বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা জুটি

শাবনূরের নায়কেরা

সালমান শাহ, রিয়াজ, শাকিব, ফেরদৌস, শাকিল খান, মান্না, অমিত হাসান, আমিন খান, আলমগীর, মাহফুজ, শাহেদ শরীফ খান, সাব্বির, মেহেদী, এস ডি রুবেল, শাহরিয়ার নাজিম জয়, রাজ, হেলাল খান, ওমর সানী, জায়েদ খান, মাসুদ শেখ, বাপ্পারাজ, আমান রেজা প্রমুখ।

 

নাচেও সেরা

শাবনূরের নাচ নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই। তাকে বলা হয় বাংলা চলচ্চিত্রের সব থেকে নৃত্যপটিয়সী নায়িকা। নাচে তার অতুলনীয় কিছু কাজঃ

আমার নাকেরই ফুল বলেরে তুমি যে আমার— তোমাকে চাই। বৃষ্টিরে বৃষ্টি আয়না জোরে— স্বপ্নের পৃথিবী। আমার সোনার অঙ্গে ফুল ফুটেছে— স্বপ্নের পৃথিবী। পাথরে লিখিনি নাম ক্ষয়ে যাবে কাগজে লিখিনি না ছিঁড়ে যাবে—বুকের ভেতর আগুন। পৃথিবীতে এতো সুখ নেই ভালোবাসি তোমাকে যতো—বুকের ভেতর আগুন। আমি যে এক এক নাচনেওয়ালী—নাচনেওয়ালী। নিম্বুরা নিম্বুরা নিম্বুরা— এই মন চায় যে। রঙের মানুষ রঙিলারে—প্রাণের মানুষ। পায়েল আমার রুমঝুম ঝুম বাজেরে—বিয়ের ফুল। চুপি চুপি মনও বলে আসোনা কাছে আসো—চাওয়া থেকে পাওয়া। একটু চাওয়া একটু পাওয়া কাছে এসে চলে যাওয়া—মন মানেনা।

কিছু আফসোস

তার মত কালজয়ী একজন নায়িকার ক্যারিয়ারে একটিমাত্র জাতীয় পুরস্কার— যা দেখে আফসোস হয়। আমি মনে করি কম করে ৩ টি পুরস্কার তার প্রাপ্য ছিলো। জাতীয় পুরস্কার পাবার মতো তার অনেকগুলো চলচ্চিত্র ছিলো যেখানে জুড়িবোর্ড তাকে বঞ্চিত করেছে। জাতীয় চলচ্চিত্র পাবার দাবিদার ছিলো যেসব মুভিতেঃ

১. আনন্দ অশ্রু (১৯৯৭)

২. রঙীন নয়নমনি(১৯৯৮)

৩. সুন্দরী বধূ, ভালোবাসা কারে কয় (২০০২)

৪. প্রাণের মানুষ,বউ শাশুড়ীর যুদ্ধ (২০০৩)

৫. বাঙলা, নিরন্তর(২০০৬)

৬. এবাদত (২০০৯)

৭. মোঘলে আজম এবং শিরি ফরহাদ

তার প্রতি অভিযোগ

নব্বই পরবর্তী সময়ের সব থেকে জনপ্রিয় এবং অসম্ভব আকর্ষণীয় ফিগার ফিটনেসের নায়িকা ক্যারিয়ারের শেষদিকে এসে ফিটনেস হারানোটা ভক্তদের দারুণ হতাশ করেছে। এটাই তার প্রতি ভক্তদের একমাত্র অভিযোগ। তবে আমি বলবো শাবনূর ফিটনেস ইচ্ছা করেই হারিয়েছেন।

শেষদিকে এসে চলচ্চিত্র কাজে অনীহা ভাবটা প্রকাশ পেয়েছে প্রকটভাবেই। যার দরুন সে ইচ্ছা করেই ফিটনেসের প্রতি অযত্নশীল  হয়েছেন। তাছাড়া হয়ত অনেক ছোট বয়স থেকে একটানা কাজ করায় ক্লান্তি ভর করেছিলো তার উপর।

 

পুনশ্চ  

শাবনূর যে পরিমাণ ট্যালেন্টেড অভিনেত্রী তার ৫০ শতাংশও আমাদের পরিচালকরা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারেনি। চাইলেই তাকে দিয়ে শরৎ বা রবীন্দ্র সাহিত্যের নারী প্রধান চরিত্রগুলোতে কাজ করাতে পারতেন। এটা শাবনূর নয় বরং আমাদের চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা।

শাবনূরের প্রতি একটাই আবেদন ফিটনেসটা একটু ঠিক করে সংসারের পাশাপাশি তার ভক্তদের বছরে কিছু ভালো কাজ উপহার দিবেন। ভক্তদের তৃষ্ণা মেটাবেন মনোমুগ্ধকর অভিনয় দিয়ে।

১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ শাবনূর পার করলেন ৩৯তম বসন্ত। জন্মদিনে তার জন্যে শুভকামনা। ভালোবাসা প্রিয় নায়িকা।

একনজরে শাবনূর

প্রকৃত নাম: কাজী নাহিদ শারমিন(নুপুর)

জন্মস্হান: যশোরের নাভারন

জন্ম তারিখঃ:১৯৭৯ সালের ১৭ই ডিসেম্বর।

দাম্পত্য সঙ্গী: অনিক মাহমুদ

সন্তান: আইজান নেহান

প্রথম চলচ্চিত্র: চাঁদনী রাতে

প্রথম নায়ক: সাব্বির

প্রথম পরিচালক: ক্যাপ্টেন এহতেশাম

প্রথম সুপার হিট মুভি: দুনিয়ার বাদশা।

প্রথম পুরস্কার: বাচসাস পুরস্কার-১৯৯৫(সেরা অভিনেত্রী, স্বপ্নের ঠিকানা)

 

 

চলচ্চিত্রবিষয়ক লেখক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *